1. bd35be9017d4c9453cd35cbbf143797e : admi2017 :
  2. editor@ajkergopalganj.com : Ajker Gopalganj : Ajker Gopalganj
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন

নিবেদিত পঙক্তিমালা

শেখ জাবেরুল ইসলাম(বাঁধন)
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৩৫ বার পঠিত

মুজিব কোথায় নেই

পরিমল সরকার

কে ওই ডাকে মুজিব মুজিব, মুজিব যে তোর পাশে
মুজিব আছে তোর ঠিকানায়; মুজিব সবুজ ঘাসে।

কে ওই ডাকে মুজিব মুজিব, ভোরের আলো দ্যাখ
মুজিব আছে বাংলাজুড়ে—বাংলা যখন এক।

আয় ফিরে আয়, ডাকিস কেন মুজিব কি পালায়!
মুজিব আছে হাল ধরে দেখ, তোদেরই নৌকায়।

যখন তোদের অন্তরে ভয় হিংস্র পশুর ডাকে
ফিরবে সাহস বুকে যদি নামটা মনে থাকে।

পদ্মা মেঘনা মধুমতি জুড়েই মুজিব আছে
বাংলাদেশের ভাগ্যাকাশে, দোয়েল শ্যামার নাচে।

‘ আবার যদি আসতো ফিরে’ বলে কেন কাঁদিস?
করুণ সুরে চোখের জলে গান কেন রে বাঁধিস!

বাংলাদেশের আত্মা মুজিব, বাংলাদেশের মান
মুজিব ছাড়া কেমনে বাঁচে বাংলাদেশের প্রাণ!

মুজিব ছিল মুজিব আছে, মুজিব কোথায় নেই?
চিরজীবী শেখ মুজিবুর এই পৃথিবীতেই।

 

রক্ত-ঋণ

গাজী লতিফ

যে শোভন হাতে জাগল জোয়ার তর্জনি ইশারায়
মুক্তিমন্ত্রে জাগল মানুষ সাহসের বরাভয়
প্রতিটি বাঙালি একটি মুজিব, লক্ষ মুজিব হ’লো
লাখ হতে কোটি সাড়ে সাত কোটি মুজিব বাংলা পেল।

বিশ্ব দলিলে মুজিব ভাষণ— জয় বাংলার জয়—
টেকনাফ হতে জাগে তেঁতুলিয়া বাংলা মুজিবময়
মানুষের ঢলে উদ্বেল হ’লো রেসকোর্স ময়দান
৭ মার্চে ইতিহাস হলো—বাঙালির জয়গান।

বিশদ ভাষণে ছিল সবকিছু:—মুক্তির নির্দেশ
কীভাবে যুদ্ধ, কীভাবে বিজয় ; স্বাধীন বাংলাদেশ
তাঁর নির্দেশ মেধায় মননে, বাঙালি যুদ্ধে নামে
বুকের রক্তে স্বাধীন স্বদেশ শেখ মুজিবের নামে।

ফজলুল হক, সোহরাওয়ার্দী, সুভাষ ও প্রীতিলতা
রবি-নজরুল- ভাসানীর ছায়া; মুজিবুর রূপকথা
শত লাঞ্ছনা, শত গঞ্জনা শত বঞ্চনা জাগে—
শিরায় শোণিতে জিঘাংষা-ক্ষুধা জীবনের অনুরাগে।

বাংলা-বাঙালি হাজার বছর পরাধীন নাগপাশ
মুজিব-মন্ত্রে ছিঁড়েছে শেকল—গড়েছেন ইতিহাস
মুজিব সবার আশার আলো, ত্রাতা; মিতার মিতা
মুজিব তোমার মুজিব আমার বাঙালি জাতির পিতা।

মীর জাফরের বংশধরেরা বীর বাঙালির ঘরে
কীভাবে এসেছে! বিপথগামীরা—পিতাকে হত্যা করে!
চায়নি বাংলা অথবা বাঙালি শোকাবহ এই দিন
পনেরই আগস্ট বেদনা-বিধুর; পিতার রক্ত-ঋণ!

 

পনেরই আগস্ট

ফারুক আসিফ

পনেরই আগস্ট মানেই এক বিভীষিকা
বাঙালি জাতির পরাজয়—পরমাদ
প্রলয়ংকরী সাইক্লোনে প্রকম্পিত দেশটা
কোটি কোটি বাঙালির করুণ আর্তনাদ।

পনেরই আগস্ট মানেই ঘৃণিত হত্যাযজ্ঞ–
একাত্তরে পরাজিতদের প্রতিশোধ গ্রহণ
পাকিস্তানের দালাল-মিত্র বেঁধে একজোট
রাতের আঁধারে পিতার ঘরে করে আক্রমণ!

পনেরই আগস্ট মানেই শোকের উপাখ্যান
জাতির আকাশ মেঘময় ফের দুর্যোগ;কাল-ছায়া
চোখের সামনে ভেসে ওঠে সেই হায়েনার মুখ
ভেতরে ভুট্টো,ইয়াহিয়া; বাইরে বাঙালি কায়া!

পনেরই আগস্ট মানেই বাঙালির কলঙ্কিত দিন
পঞ্চাশ বছরের জন্য দেশ ও জাতির পশ্চাৎগমণ
পিতার বুকের ক্ষতচিহ্ন ঘুমোতে দেয় না আর
প্রতিটি বাঙালির হদয়ে হৃদয়ে হয় রক্তক্ষরণ!

পনেরই আগস্ট মানেই স্মৃতি,অমলিন প্রিয় পিতা
সপরিবারে সকরুণ সেই শাহাদত-বরণ
কারো প্রহসনের জন্মোৎসব নয়; পনেরইআগস্ট
মানে শ্রদ্ধা-সমীহ— জাতির পিতাকে  স্মরণ!

 

মরমী মহানায়ক

শরিফুল ইসলাম খান

অগ্নিঝরা মার্চের উন্মাদনাময় উত্তাল দিনে
বঙ্গ-শার্দুলের গর্জনে প্রকম্পিত
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে
ফুঁসে উঠেছিল সাড়ে সাত কোটি জনতার হৃদয়
পদ্মা- মেঘনা- যমুনা- মধুমতির দুই তীরে
লেখা হয়েছিল বাঁক-বদলের আখ্যান।

নিপীড়িত, অধিকার-বঞ্চিত
অসহায় মানুষের পক্ষে উচ্চারিত তোমার
শতাব্দীশ্রেষ্ঠ ৭ মার্চের মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনাময় ধ্রুপদী কবিতা
লহমায় কাঁপিয়ে দিয়েছিল অশুভ শক্তির তামাম তখতে-তাউস!

সেদিন তোমার বিশ্বাসের বাষ্প-ছোঁয়া
অন্তরের উদাত্ত আহ্বান বদলে দিয়েছিল
গণজোয়ারের গতিমুখ
উন্মাতাল স্বপ্নজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ঐক্যবদ্ধ শপথে শামিল হয়েছিল
হার না-মানা তামাটে মানুষের দল।

সারাটি জীবন মানবতার জয়গানে নিবেদিত ছিল তোমার দরদী প্রাণ
কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে সঁপে দিয়ে আপোষহীন নশ্বর দেহ

স্বপ্নবাজ হৃদয়টাকে অবলীলায় ছড়িয়ে দিয়েছিলে
সারা বাংলার প্রগাঢ় সবুজে—
মুক্তির আলোক-বর্তিকা হাতে নিয়ে
উজ্জীবিত করেছিলে
আপামর জনতার সহস্র হৃদয়-কুসুম!

ঘোর-লাগা বায়ান্নের পলাশ-দীপ্ত ফেব্রুয়ারির উদ্দীপিত দিনে
তোমার সঞ্জীবনীসুধা পান করে প্রিয় মাতৃভাষার দাবিতে

ঝাঁপিয়ে পড়া লাখো জনতার আত্মার অর্গল খুলে

স্বপ্নের মতো উড়েছিল মুক্তির মোহন পায়রা
তুমিই এদেশের মানসপুত্র —
বাংলামায়ের সর্বশ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তান!

গণ-অভ্যুত্থানের প্রাণ-ভোমরা হয়ে শত্রুর কুটিল চক্রান্তজাল ছিঁড়ে
বাঁধভাঙা জোয়ারের মত তুমিই ছড়িয়ে পড়েছিলে

স্বাধীনতার বীজমন্ত্র বুকে নিয়ে
তোমার তর্জনি নির্দেশের পথ বেয়ে বেয়ে
একদিন যারা পৌঁছে গিয়েছিল
মহা মোক্ষের চূঁড়ায়
সেই সব মানুষের আত্মার আত্মীয় হয়ে
তুমিই নোঙর করেছিলে রক্তগঙ্গার তীরে
একাত্তরের কাল-রাত্রির কুয়াশাভেদী
অমিয় বাণীর সুধায়
পুনরুজ্জীবিত করেছিলে অগণিত
সন্তপ্ত হৃদয়ের আশাহত প্রাণ।

তুমি মানেই “সোনার বাংলা”—

সুমহান কবিতার প্রথম স্তবক–
কালজয়ী মহাপুরুষ; নিপীড়িত মানুষের অমর উপমা

দ্রোহে-বিদ্রোহে নির্ভীকচিত্ত, অগ্রণী—মরমী মহানায়ক!

 

পিতা

রূপম রোহান

 

অনুভবের অন্তঃস্তলে প্রবহমান একটি নদী

দুকূল ব্যেপে তার শ্যামল শস্যের কারুকাজ;

মধুমতি তার নাম; যার পলিবিধৌত

নরম নিবিড় নিসর্গ-ক্যানভাসে

ক্লাউদ মোনেতের তৈলচিত্রের মতো চিত্রিত

ছায়া সুনিবিড় একটি স্বপ্নের গ্রাম— টুঙ্গিপাড়া।

 

যেখানে প্রোথিত বাঙালির হাজার বছরের অস্তিত্ব

যেখানে ঘুমিয়ে আছে পৃথিবীশ্রেষ্ঠ সেই কারিগর

যাঁর হাতের অলৌকিক ছোঁয়ায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল

ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের শ্যামল এ ব-দ্বীপ —

সরলপ্রাণ তামাটে মানুষের আশ্রয়স্থল

সার্বভৌম, বাংলাদেশ!

 

এখনও যেখানে কলকল কলরোলে

বয়ে চলে মধুমতি,পানকৌড়ির উদ্দাম ডুবসাঁতার

নিঃস্তব্ধ দুপুরে এখনও যে অযুত বুদ্বুদ ওঠে

বাঘিয়ার কালো জলে ; তার প্রতিটি জলজ প্রিজমে

প্রতিভাত হয় মহাকালের প্রতিভূ

একটি অমলিন মুখের মাধুর্য—শেখ মুজিব

যেন স্মিতহাস্যে প্রসন্নবদনে তাকিয়ে রয়েছেন

চিরস্নেহাতুর এক পিতা—

ষোলোকোটি প্রিয় সন্তানের দিকে তাঁর….

 

“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে”–ভারতচন্দ্রের

ঈশ্বরী পাটনীর মতো প্রিয় সন্তানের ভবিতব্য বিধানে

অবিচল ছিলেন  যিনি; কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে

অন্তরীণ থেকেও যার সুবিশাল হৃদয়

নিয়োজিত ছিল বাঙালির স্থায়ী মুক্তির স্বপ্ন-বয়নে

নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও দৃঢ়চিত্তে

যিনি উচ্চারণ করেছিলেন

অমোঘ এক মহাকাব্যের শিরোনাম—

“জয় বাংলা”…

 

যে কণ্ঠের বজ্রনিনাদে কেঁপে উঠেছিল দখলদার বাহিনীর

অবৈধ মসনদ; যে কণ্ঠের উদাত্ত আহ্বানে

উন্মত্ত মাদকতায় যূথবদ্ধ হয়ে

মরণপণ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল

আপামর মুক্তিকামী জনতা

প্রতিরোধ ও প্রত্যাঘাতের পরমমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে

ঘরে ঘরে গড়ে উঠেছিল অজস্র দুর্ভেদ্য হৃদয়দুর্গ—

 

পাতা ঝরার শব্দের মতো সেই কণ্ঠস্বর

আজও সুদূরের প্রতিধ্বনি হয়ে

বারবার ফিরে ফিরে আসে শোকস্তব্ধ, পিতাহীন বাংলার

প্রতিটি বিরান প্রান্তরে

কৃতজ্ঞতায় নত হয়ে আসে মাথা

সেই সাথে তীব্র এক অপরাধবোধের পীড়নে

একাকার হয়ে আসে আমার সমস্ত অস্থিমজ্জা—

 

আত্মশ্লাঘার কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে

করজোড়ে আমি কামনা করি তাৎক্ষণিক স্বেচ্ছামৃত্যু—

কেননা, পিতাহীন এই নির্লজ্জ বেঁচে থাকা মানে

আমৃত্যু বয়ে চলা অনুতাপের অনির্বাণ দহন!

 

যে পিতার বুক ছিল আমাদের একচ্ছত্র অভয়ারণ্য

যে পিতার চোখে ছিল সন্তানের

ভবিষ্যৎ ভাবনার দূরদর্শী দ্যুতি—

সেই পিতার বুকেই বিশ্বাসঘাতক বুলেটের ক্ষতচিহ্ন

এঁকে দিতে কাঁপলো না আমাদের অকৃতজ্ঞ হাত

একবারও মনে হলো না, এতো সেই বাতিওয়ালা—

নিজেরই হৃদয় পুড়িয়ে পুড়িয়ে যিনি দূর করেছিলেন

দীর্ঘ নয় মাসের ধ্বংসস্তুপে জমে থাকা

সুনসান ভয়াল অন্ধকার!

একটি তর্জনির আশ্চর্য ইশারায় দিকচক্রবালে

ফুটিয়ে তুলেছিলেন স্বাধীনতার রক্তিম এক সূর্য!

 

 

বিষাদের বিউগল

অচিরা বিশ্বাস

কংক্রিটের গায়ে পাতার আদর মাখানো
পাখিদের প্রতিবেশী একটি বাড়ি

একখণ্ড অমলিন প্রকৃতির ভাস্কর্য —ধানমণ্ডির বত্রিশ নম্বর।

পিতার পদচ্ছাপের কারুকার্য-খচিত
প্রিয় রাসেলের অস্ফুট কচি কণ্ঠস্বরে মুখরিত ছিল

রাজধানীর প্রাণ—এই স্বর্গীয় বাড়িটির
ছায়াশোভিত মায়াবী আঙিনা।

আজ সেখানে দহনের তীব্র লেলিহান
বিরান বসন্তের হাহাকার-লাগা
বিষাদের বিউগল বাজে প্রতি আগস্টের
পনের তারিখ—এখানে বাতাসে গুমরে ওঠে
একজন কবির অন্তিম কবিতার সুতীব্র আর্তনাদ!

নৈঃশব্দের উষ্ণতা মেখে পাখিরা ঘুমিয়েছিলো সেদিন
শ্রাবণের আকাশে সুবহে সাদিকের

সফেদ আলো ফুটে ওঠার বদলে
আকস্মিক অন্ধকারের দানবীয় অবয়ব
ফুটে উঠেছিলো দিকচক্রবালের মেঘে মেঘে
যা অতর্কিতে হামলে পড়েছিলো

ইতিহাসের প্রতিটি পৃষ্ঠায়—সারা বাংলার সবুজে…
পিতার বুকের রক্তে ভেসে গিয়েছিলো
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল—

পদ্মা মেঘনা ব্রহ্মপুত্র মধুমতির জলে উঠেছিলো সুতীক্ষ্ণ মাতম…

নিয়তির নির্মম নিয়মে বাঙালির বিহ্বল বুকে

বসে গিয়েছিলো অনির্বাণ অমোচনীয় এক ক্ষতচিহ্ন
এখনও যেখানে রক্ত ঝরে অবিরল ধারায়…

আগস্টের পনের তারিখে

পিতার মুখ আঁকা —

কোটি কোটি হৃদয়ে ওড়ে শোকের পতাকা!

 

শ্রেষ্ঠ বাঙালি

বুলবুল আহমেদ

অনেক দুঃখ অনেক ক্লেশ
যুদ্ধে জয়ী একটি দেশ
আমার ভাষা বাংলা ভাষা
দেশের নামটি বাংলাদেশ।

সেই দেশেই জন্মেছিল
বাঙালি জাতির রাখতে মান
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি
শেখ মুজিবুর রহমান।

 

সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি

শায়ন বালা

মুজিব তুমি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি
তুমিই ত্রাতা; সব নেতাদের নেতা—
স্বাধীন এ দেশের রূপকার তুমি
তুমি যে জাতির পিতা।

চেতনায় তুমি চির ভাস্বর—প্রেরণায় উজ্জ্বল
দ্রোহে-বিদ্রোহে তুমিই খুলেছ
পরাধীনতার শৃঙ্খল
তোমার ত্যাগের মহিমা-গাঁথা কোটি হৃদয়ে আঁকা
তোমারই জন্য পেয়েছি স্বদেশ; স্বাধীন এ পতাকা।

সেই তুমি নেই; রয়েছে তোমার অবিনাশী সব স্মৃতি
শোক দিবসে হৃদয়পটে
চেতনায় আঁকি তোমারই প্রতিকৃতি!

 

বেদনার আগস্ট

মুক্তা রানী

পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট
ইতিহাসের কালিমালিপ্ত দিন
কীসের মূল্যে শোধ হবে বলো
জাতির পিতার অমূল্য সে ঋণ?

যে দেখালো আলোকিত পথ
আনল যে জন আঁধার চিরে ভোর
সেই স্বজনের রক্ত ঝরাতে
কাঁপল না হাত তোদের মীরজাফর?

পিতার দেহ পড়েছিল একা
এগিয়ে আসেনি কেউ—
সেই দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলো
পদ্মা-মেঘনা-নীল যমুনার ঢেউ।

কী করে ভুলি? যায় কি ভোলা
রক্তাপ্লুত পিতার নিথর মুখ?
এখনও স্বপ্নে, ঘুমে-জাগরণে
কেঁপে ওঠে এই চিরশোকাতুর বুক!

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
আজকের গোপালগঞ্জ বিল্ড ফর নেশনের একটি উদ্যোগ
Theme Developed BY ThemesBazar.Com