1. bd35be9017d4c9453cd35cbbf143797e : admi2017 :
  2. editor@ajkergopalganj.com : Ajker Gopalganj : Ajker Gopalganj
শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন

গোপালগঞ্জে  বন্যায়  ২ হাজার  হেক্টর জমির ফসল নষ্ট

শেখ জাবেরুল ইসলাম(বাঁধন)
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৯৫ বার পঠিত

আজকের গোপালগঞ্জ রিপোর্টঃ

গোপালগঞ্জে অতি বৃষ্টি ও  বন্যায় ১ হাজার ৯ শ ৮৪ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে । এতে প্রায় ২১ কোটি  টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ ক্ষতি পুশিয়ে নিতে কৃষক রোপা আমন ধান ও সবজি আবাদ শুরু করেছেন। কৃষি বিভাগের প্রনোদনা পেয়ে তারা আবার ঘুরে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, বন্যা ও অতি বর্ষণে জেলার ৫ উপজেলার  ১ হাজার ৯ শ ৮৪ হেক্টর জমির আউশধান, আমন ধান, শাক ও সবজি সম্পূর্ন নষ্ট হয়েছে। এতে কৃষকের ২০ কোটি ৭০ লাখ ৭ হাজার ৩২ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ৪৭ হেক্টর জমির বীজতলা পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। বন্যা ও বৃষ্টিতে জেলার ৮ হাজার ৬ শ ৯ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি গ্রামের কৃষক কাওসার শেখ বলেন, প্রায় তিন বিঘা জমিতে রোপা আমন ধান রোপণ করেছিলাম। ধান  কুশির স্তরে ছিলো। বন্যার পানিতে তলিয়ে  প্রায় দেড় লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারি ভাবে ধানের চারা পেয়েছি। এগুলো রোপন করে ক্ষতি পুশিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার মালেক বাজার এলাকার কৃষক তাছেন মোল্লা বলেন, দুই বিঘা জমির সব সবজি বৃষ্টি ও বন্যায় নষ্ট হয়েছে । এখন কৃষি বিভাগ ৯ রকমের  সবজি বীজ  দিচ্ছে। এগুলোর চাষাবাদ করে ঘুরে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখছি।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী গ্রামের কৃষক মহিব শেখ বলেন, এক একর জামিতে আমন ধানের বীজতলা করেছিলাম। এ দিয়ে প্রায় ৪০ বিঘা জমিতে  ধানের চারা রোপণ করা যেত। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টিতে তলিয়ে সব নষ্ট হয়ে  গেছে। এতে  ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগ পাশে দাড়িয়েছে। তারা ধানের চারা দিয়েছে। এগুলো দিয়ে আবার ধানের আবাদ করছি।

এছাড়া ওই উপজেলার কাকড়াবুনিয়া গ্রামের উৎসব বিশ্বাস, বিধান বিশ্বাস, বিমল শিকদার, তপন রায়, পরিতোষ ঘরামি জানান, বন্যা ও বৃষ্টিতে তাদের ক্ষেতের ধান, সবজি, শাক, বীজতলা নষ্ট হয়েছে। তারা পুরোপুরি সরকারি সহায়তা পেলেই ক্ষতি পুশিষে নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. অরবিন্দু কুমার রায় বলেন, আমরা কমিউনিটি, ট্রেতে ও ভাসমান বীজতলা করেছি। এখান থেকে কৃষক বিনামূল্যে চারা নিয়ে রোপা আমনের চাষ করছে। এছাড়া কৃষককে ৯ প্রকার সবজির বীজ দিচ্ছি। এগুলো নিয়ে তারা চাষাবাদ শুরু করেছে। এছাড়া বন্যা ও বন্যা পরবর্তী করনীয় নিয়ে কৃষককে আমরা পরামর্শ দিচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের তালিকা আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। আরো প্রনোদনা এলে আমরা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের মধ্যে বিতরণ করবো। সরকারি এ সহায়তা পেয়ে তারা ঘুড়ে দাড়াতে পারবেন বলে আমি আশা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
আজকের গোপালগঞ্জ বিল্ড ফর নেশনের একটি উদ্যোগ
Theme Developed BY ThemesBazar.Com