1. bd35be9017d4c9453cd35cbbf143797e : admi2017 :
  2. editor@ajkergopalganj.com : Ajker Gopalganj : Ajker Gopalganj
শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১, ১২:৫৭ অপরাহ্ন

গোপালগঞ্জে এক ইউপি-চেয়ারম্যানের প্রতারণা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীর সংবাদ-সম্মেলন

শেখ জাবেরুল ইসলাম(বাঁধন)
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৫৭ বার পঠিত

আজকের গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
গোপালগঞ্জে এক ইউপি-চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবসার বিপুল পরিমান টাকা ফেরৎ না দেয়া এবং মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ-সম্মেলন করেছেন ঢাকার এস এম ব্রিক্সের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন।
তিনি শুক্রবার ( ১৯ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়নের ডুমদিয়া গ্রামে মামা-শ্বশুড় বাড়িতে এ সংবাদ-সম্মেলন করেন।
সংবাদ-সম্মেলনে তিনি বলেন, ঢাকায় ব্যবসার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত। ডুমদিয়া গ্রামে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ২০১৭ সালে আমি উরফি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল গাজীর সঙ্গে এস এম ব্রিক্স নামে ইট-ভাটার অংশীদারী ব্যবসা শুরু করি। এ ব্যবসার টাকা আমি ডুমদিয়ার মাদ্রাসা ও এতিম খানায় ব্যয় করে অসিছিলাম। এক বছর পর একই গ্রামের দাউদুর রহমানের ছেলে মারুফ হোসেনকে ওয়ার্কিং-পার্টনার হিসেবে নিয়োগ দেই। এরইমধ্যে আমি একাই বিনিয়োগ করি আড়াই কোটি টাকা। সে সঙ্গে ২০১৮ সালে সম্পাদিত চুক্তিপত্র অনুযায়ী আমার ৪০%, ইউপি-চেয়ারম্যানের ৪০% এবং মারুফ হোসেনের ২০% অংশীদারিত্ব নির্ধারিত হয়। এরপর ৩ বছর পেরিয়ে গেলেও অদ্যাবধি তারা চুক্তিপত্রের কোন শর্ত রক্ষা করেননি। আমি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একক বিনিয়োগকারী । আমি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও পার্টনার হিসেবে তারা কখনও কোন আলোচনা বা হিসাব-বিবরণী আমাকে দেয়নি। এছাড়াও তারা প্রায় ১৭ জনের কাছ থেকে ইট বিক্রির জন্য অগ্রীম টাকা (দাদন) নিয়েছেন। এ টাকা তারা ইটভাটার ব্যাংক-হিসাবে জমা করেনি। এসব টাকাও তারা আত্মসাৎ করবে বলে আমি আংশকা করি। তাদের কাছে বার বার হিসেবপত্র বা লভ্যাংশ চেয়েছি; কিন্তু কোনকিছুই তারা আমলে নেয়নি। বরং আমাকে বাদ দিয়ে এবং এস এম ব্রিক্স এর নাম পরিবর্তন করে নতুন চুক্তিপত্র করে ব্যবসা পরিচালনা করবেন বলে তারা হুমকি দিয়েছেন। নানাভাবে চেষ্টা করে এসবের কোন সুরাহা করতে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে আমি আদালতে শরণাপন্ন হই। অথচ আমারই দেয়া স্বাক্ষরকৃত ব্লাঙ্ক-চেকে নিজেদের মনগড়া টাকার অংক বসিয়ে তারা মামলা করেছে। তাই আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আমার সঙ্গে চরম প্রতারণার করেছে তারা।
অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল গাজী বলেন,ইটভাটা প্রতিষ্ঠার সময় আমি ১৬ বিঘা জমি দেই। প্রথম বছর ২৮ লাখ ইট বিক্রি করে কোন টাকা মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন আমাকে দেয়নি। এছাড়া সে এক দফায় নগদ ২৮ লাখ ও পরের দফায় আবার ৫ লাখ টাকা নিয়েছে। ১ বছর পর আমি ও মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন ওয়ার্কিং-পার্টনার হিসেবে মারুফ হোসেনকে নিয়োগ দেই। তারপর ৩ বছর তারা কোন হিসাব দেয়নি। চুক্তিপত্রের ব্লাঙ্ক চেক বাউন্স করে আমার ও মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বিরুদ্ধে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা আদায়ের মামলা দিয়েছে মারুফ। এছাড়া মোহাম্মদ মঈন উদ্দিনও আমার বিরুদ্ধে ৩টি মামলা দিয়েছে। এরমধ্যে ২টি খারিজ হয়েছে। আমি তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দেইনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
আজকের গোপালগঞ্জ বিল্ড ফর নেশনের একটি উদ্যোগ
Theme Developed BY ThemesBazar.Com