1. bd35be9017d4c9453cd35cbbf143797e : admi2017 :
  2. editor@ajkergopalganj.com : Ajker Gopalganj : Ajker Gopalganj
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন

গোপালগঞ্জে ধান চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৯ মে, ২০২১
  • ২০২ বার পঠিত

আজকের গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক

গোপালগঞ্জ ধানের মূল্য পতনের মধ্যে খাদ্য গুদামে ধান চাল ও গম সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। আজ দুপুরে ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুর রহমান।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা  খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল্লাহ জানান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় বোরো মৌসুমে ২৩৫৭ মেট্রিক টন ধান, ১৯৩১ মেট্রিক টন চাল ও ১৩৪ মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহ মূল্য ২৭ টাকা, চালের মূল্য ৪০ টাকা ও গমের মূল্য ২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। তিনি আরো জানান ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান ১৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। আর গম সংগ্রহ করা হবে ৩০ জুন পর্যন্ত। গত বছর ধান চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। এ বছর সরকার

গোপালগঞ্জে ধান চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি ধানের দাম কেজিতে ১ টাকা ও চালের দাম কেজিতে ৪ টাকা বাড়িয়েছে। এ কারণে এ বছর ধান চাল সংগ্রহ অভিযান সফল হবে।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের কৃষক কামাল হোসেন সরদার বলেন, বোরো ধান টাকা শুরু হওয়ার আগে প্রতিমন চিকন ধান ১ হাজার ১ শ’ টাকা দরে আর মোটা ধান ১ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। ধানকাটা শুরুর পর প্রতিমন মোটা ধান ৮ শ’ থেকে ৮ শ’ ৫০ টাকা দরে ও চিকন ধান ৯ শ’ থেকে ৯শ’৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মোটা ও চিকন ধানে ধানে ১ শ’ ৫০ থেকে ২ শ’ টাকা দরপতন ঘটেছে। সরকার মোটা ধান কিনছে ১০৮০ টাকা দরে। এ অবস্থায় সরকারের কাছে আমরা ধান বিক্রি করে অধিক মুনাফা ঘরে তুলতে পারছি। তাই খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করছি। সরকার এ বছর পর্যাপ্ত পরিমানে ধান কিনতে পারবে। আমাদেরও সারকারের কাছে ধান বিক্রির আগ্রহ আছে।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুর রহমান এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে বলেন, ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান সবার সম্মিলিত চেষ্টায় সফল করবো। এ ক্ষেত্রে কৃষক ও মিলার হয়রাণী বন্ধ করতে হবে। ধানচাল সংগ্রহ অভিযান সফল না হলে গুদামে মজুদ কমে যায়। মজুদ কমলে সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাই আগে আসলে আগের ক্রয়ের ভিত্তিতে কৃষকরে কাছ থেকে সরাসরি খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। এছাড়া চাল ও গম সংগ্রহ সফল করতোও আমারা নানামুখি উদ্যোগ গ্রহন করেছি।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সেকেন্দার শেখ বলেন, হিট শকের পরেও এখানে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমরা সরকারি খাদ্য গুদামে ধান দেয়ার জন্য কৃষককে উদ্বুদ্ধ করছি। কৃষকরাও খাদ্য গুদামে ধান বিক্রিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আশাকরি এ বছর ধান চাল সংগ্রহ অভিযান সফল হবে। আর এরমধ্য দিয়ে সরকারের খাদ্য মজুদ বৃদ্ধি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
আজকের গোপালগঞ্জ বিল্ড ফর নেশনের একটি উদ্যোগ
Theme Developed BY ThemesBazar.Com