1. bd35be9017d4c9453cd35cbbf143797e : admi2017 :
  2. editor@ajkergopalganj.com : Ajker Gopalganj : Ajker Gopalganj
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন

হুমকির মুখে বাঁধ ও পোল্ডার: সেচ প্রকল্পের বাঁধ ঘেঁষে বালু উত্তোলন

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩০ মে, ২০২১
  • ২৫৯ বার পঠিত

আজকের গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
গোপালগঞ্জে তারাইল-পাঁচুড়িয়া সেচ প্রকল্পের বাঁধ ঘেঁষে ঘোনাপাড়া খাল থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা গ্রামের প্রভাবশালী জাকিরুল ইসলাম মিন্টু মোল্লা ওই খালে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে গত ৫ দিন ধরে বালু কাটছেন। এরআগে ৩ দিন তিনি রাতের অন্ধকারে বালু কেটেছেন। এখন গত ২ দিন ধরে দিনে রাতে প্রকাশ্যে সমানে বালু কাটছেন। এতে ওই সেচ প্রকল্পের বাঁধ ও একটি পোল্ডার হুমকির মুখে পড়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘোনাপাড়া গ্রামের একাধিক ব্যক্তি জানান, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ সুবিধার জন্য গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলার বিস্তৃর্ন এলাকা নিয়ে সরকার তারাইল-পাচুড়িয়া সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। এ প্রকল্প থেকে ৩ উপজেলার অন্তত ২ লাখ কৃষক সুফল পাচ্ছেন। ওই প্রকল্পের সুবাদে এ অঞ্চলে ধান সহ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই বাঁধের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা ইউনিয়নের গোবরা রেলওয়ে স্টেশনের উত্তর পাশের ঘোনাপাড়া খালের পানিউন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ও পোল্ডারের জায়গা নিজের দাবি করে গোবরা গ্রামের প্রভাবশালী ব্যাবসায়ী মিন্টু মোল্লা খালে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছেন। গত ৫ দিন ধরে তিনি ওই খাল থেকে বালু উত্তোলন করে আসছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড এ দিকে নজর দিচ্ছেনা। এ সুযোগকে তিনি কাজে লাগিয়ে লাখ লাখ টাকা বালু উত্তোলন করছেন। এতে ওই খালের পাড় ধ্বসে ভাঙনের আশংকা করা হচ্ছে। এ কারণে সেচ প্রকল্পের বাঁধ ও একটি পোল্ডার মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মীর শাহিনুর রহমান বলেন, ঘোনাপাড়া খাল, পোল্ডার ও সেচ প্রকল্পের বাঁধ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সম্পত্তি। এ সেচ প্রকল্প গোপালগঞ্জ জেলার ৩ উপজেলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সেচ প্রকল্পের বাঁধ রক্ষার দায়িত্ব পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ মানুষের। ওই খাল থেকে বালু উত্তোলনের ব্যাপারে আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। কোনভাবেই খাল থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এ ব্যাপারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুর রহমান বলেন, কোন সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে না। এতে ভূমি ধ্বসের আশংকা থাকে। তাই বালু উত্তোলন বন্ধে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
অভিযুক্ত জাকিরুল ইসলাম মিন্টু মোল্লা বলেন,খাল ও বাঁধের জায়গা আমার পৈতৃক ও রেকর্ডীয় সম্পত্তি। এ কারণে এখান থেকে আমি বালু উত্তোলন করছি। আমার একটি মৎস্য প্রজেক্টের রাস্তা বানাতে বালু তুলছি। আমি রাজনীতি করিনা। আগে ঠিকাদারী করতাম। ২ বছর হয় ঠিকাদারী করি না। বালু উত্তোলনের বিষয়টি ছোট খাট ব্যাপার। আপনারা ওভার লুক করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
আজকের গোপালগঞ্জ বিল্ড ফর নেশনের একটি উদ্যোগ
Theme Developed BY ThemesBazar.Com