1. bd35be9017d4c9453cd35cbbf143797e : admi2017 :
  2. editor@ajkergopalganj.com : Ajker Gopalganj : Ajker Gopalganj
বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:১৮ অপরাহ্ন

নিষ্পাপ শিশুর পিতা কে?

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১
  • ১৫৪ বার পঠিত

আজকের গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক

ধর্ষণের ফলে জম্ম নিয়েছে নিষ্পাপ একটি কন্যা শিশু। ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় ৯ মাস জেল খেটে অবশেষে জামিন পেয়েছেন অভিযুক্ত মোটর শ্রমিক মোস্তফা শিকদার (৪০) নামে এক যুবক। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট বলছে মোস্তফা শিকদার ধর্ষণ করেনি। ধর্ষণের শিকার তরুনীর পরিবার দাবি করা হয়েছে ধর্ষণের কারণে ওই তরুনীর ৩মাস আগে কন্যা সন্তান প্রসব করেছে। তাহলে ওই তরুনীর কন্যা সন্তানের পিতা কে? এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার তারাশী গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের মুখে।

ওই তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর কোটালীপাড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়। মামরার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ১৩এপ্রিল তারাশী গ্রামের মৃত্যু আজগার আলী শিকদারের ছেলে মোস্তফা শিকদার ওই তরুণীকে ধর্ষন করে। এই ধর্ষনের ফলে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

কোটালীপাড়া থানার ওসি মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, ৫মাসের অন্তঃসত্ত্বা  হওয়ার পর কোটালীপাড়া থানায় এ ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের দিন রাতেই পুলিশ মোস্তফা শিকদারকে গ্রেফতার করে। পরের দিন ২৪ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এরপর দীর্ঘ প্রায় ৯মাস জেল খেটে চলতি বছরের ২৪ মে মোস্তফা শিকদার জামিনে মুক্তি পেয়েছে।

এদিকে চলতি বছরের মার্চ মাসের মাঝামাঝি ওই তরুনী একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন। এরপর মোস্তফা শিকদারের পরিবারের পক্ষ থেকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য গোপালগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে আবেদন করেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেয় । আদালতের নির্দেশে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশ ফরেন্সিক ল্যাবরেটরি থেকে ডিএনএ পরীক্ষা করায়। ডিএনএ পরীক্ষার পর ডিএনএ এক্সপার্ট দিপাঙ্কর দত্ত রিপোর্ট প্রদান করেন। রিপোর্টে তিনি উল্লেখ করেন, ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত ভাবে প্রমাণিত হয় যে মোস্তফা শিকদার ওই তরুনীর গর্ভজাত সন্তানের জৈবিক পিতা নয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ডিএনএ রিপোর্ট ফাঁস হলেই তারাশী গ্রামের কয়েক হাজার নর-নারীর মুখে মুখে একই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, তাহলে এই কন্যা সন্তানের পিতা কে?

এ বিয়য়ে ওই তরুনীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে মামলার বাদী বলেন, আমরা এই ডিএনএ পরীক্ষার রির্পোট মানি না। পূনরায় ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করবো।

মোস্তফা শিকদার বলেন, আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ৯মাস জেল খাটানো হয়েছে। এখন আমি এই মামলায় জামিনে আছি। আমি একজন শ্রমজীবী মানুষ। দৈনিক আয় করে আমার সংসার চালাতে হয়। দীর্ঘ এই ৯মাস জেলে থাকার কারণে আমি সর্বশান্ত হয়েগেছি। আমাকে যে হয়রাণি করা হয়েছে তার জন্য আমি বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই।

কোটালীপাড়া থানার ওসি মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার রির্পোট পাওয়ার পরে মোস্তফা শিকদারকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে মামলার ফাইনাল রির্পোট আদালতে দিয়েছি। আদালত যদি এই মামলার পূনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন, তাহলে আমরা তদন্ত করে বের করার চেষ্টা করবো যে কে এই কন্যা সন্তানের পিতা?

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
আজকের গোপালগঞ্জ বিল্ড ফর নেশনের একটি উদ্যোগ
Theme Developed BY ThemesBazar.Com