1. bd35be9017d4c9453cd35cbbf143797e : admi2017 :
  2. editor@ajkergopalganj.com : Ajker Gopalganj : Ajker Gopalganj
শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৫০ অপরাহ্ন

কোটালীপাড়ায় দু’দল গ্রামবাসীর মাঝে সংঘর্ষে আহত-৩০

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১
  • ৮৬ বার পঠিত

আজকের গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় দু’দল গ্রামবাসীর মাঝে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে।

গুরুতর আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের কাকডাঙ্গা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পিঞ্জুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কাকডাঙ্গা নিবাসী আবু ছাইদ শিকদারের সাথে একই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কামরুল ইসলাম ফকিরের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই সূত্র ধরে ইউপি চেয়ারম্যান আবু ছাইদ সিকদারের লোকজন নিয়ে সোমবার বিকেলে কামরুল ইসলাম ফকিরের উপর হামলা চালায়। এই হামলার পরে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০জন আহত হয়।

এদের মধ্যে গুরুতর আহত কামরুল ইসলাম ফকির(৪২), কলিমুল্লাহ ফকির (২৮), মিজানুর রহমান ফকির (৩৪), ফরমান ফকির (৪২), ওসিকুর ফকির (৫০), নাজমুল ইসলাম ফকির (২৮), দ্বীন ইসলাম ফকির (২৪), ফরিদ ফকির (৫৫), মানিক ফকির (৫০), মোতাহার হোসেন ফকির (৪০), ওমর ফারুক ফকির (৪২), আমির আলী ফকির (৬৫), মিনহাজ ফকির (২৫), কাবুল শিকদার (২৫), মজনু ফকির(২৮), এবাদুল শিকদার (২১), মোকছেদুল শিকদার (৪৫), মামুন শিকদার (২৭), আমজাদ শিকদার (৪০)কে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

কামরুল ইসলাম ফকির বলেন, আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমাদের গ্রামে আমি আমার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেকুজ্জামানের নামে একটি স্কুল করে ছিলাম। ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল এই স্কুলটি ইউপি চেয়ারম্যান আবু ছাইদ শিকদার তার লোকজন নিয়ে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। এরপর আমি একটি মামলা করি। এই মামলায় পিবিআই তাকে দোষী প্রমাণিত করে আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন। এরপর থেকে আবু ছাইদ শিকদার আমাকে বিভিন্ন সময়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। যে দেশের জন্য আমার পিতা লড়াই করেছেন, সেই দেশে আমি আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আবু ছাইদ শিকদারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কামরুল ইসলাম ফকিরের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার কোন লোকজনের সঙ্গে কামরুল ইসলাম বা তার লোকজনের সাথে কোন প্রকার সংঘর্ষ হয়নি। জুলফিকার শিকদার ও হাসান শিকদারের মধ্যে দোকান ঘরের জায়গা নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষে কামরুল ইসলাম জুলফিকার শিকদারের পক্ষ নিয়ে ছিল। এখানে ফকির বা শিকদার বংশের মধ্যে কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

কোটালীপাড়া থানার ওসি মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। কোন পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
আজকের গোপালগঞ্জ বিল্ড ফর নেশনের একটি উদ্যোগ
Theme Developed BY ThemesBazar.Com